Header Ads Widget

গাছ-গাছড়া ও লতাপাতার হাজার গুন রোগ মুক্তি ও সুস্থ থাকতে ফলো করুন প্রতিদিন স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে জানুন

মানব দেহে কলমীশাকের উপকারিতা ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নেই।

কলমীশাকের উপকারিতা

পুষ্টি তথ্য


প্রতি ১০০ গ্রাম কলমি শাকের পুষ্টিমান : পানি- ৮৯ ৭ গ্রাম,  আমিষ – ৩ ৯ গ্রাম,  লৌহ – ০ ৬ গ্রাম, শ্বেতসার – ৪ ৪ গ্রাম,  আঁশ – ১ ৪ গ্রাম,  ক্যালসিয়াম – ০ ৭১ মিলিগ্রাম,  থায়ামিন – ০ ৯ মিলিগ্রাম,  নায়াসিন – ১ ৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি – ৪৯ মিলিগ্রাম,  ক্যালোরি – ৩০ কিলো ক্যালোরি।


লিভার ভালো রাখে


লিভার ভালো রাখতে কলমি শাক বেশ কার্যকরী। এটি জন্ডিসের ক্ষেত্রেও সমানভাবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কলমি শাকে থাকা কিছু উপাদান লিভার থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে ড্যামেজ লিভার সুস্থ করার ক্ষেত্রেও এটি কার্যকরী। লিভারের সমস্যায় ভুগলে তারা কলমি শাক রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়।


হার্ট ভালো রাখে


কলমি শাকে প্রচুর বিটা ক্যারোটিন। সেইসঙ্গে এই শাকে আরও থাকে প্রচুর ভিটামিন সি। শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে এই দুই উপাদান। যে কারণে দূরে থাকে হৃদরোগের মতো অসুখ। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কলমি শাক খান তাদের হার্টের রক্তনালীর ভেতর প্লাক বা ময়লা জমে না। হার্ট ভালো রাখতে এই শাক নিয়মিত খেতে পারেন।


ক্যান্সার থেকে দূরে রাখে


ক্যান্সারের মতো মরণঘাতি রোগকে দূরে রাখতেও কাজ করে কলমি শাক। এই শাকে থাকে ১৩ ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে সব ধরনের ফ্রি ব়্যাডিকেলস বের করে দেয়। ফলে শরীরে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধির আশঙ্কা কমে। তাই ক্যান্সারের মতো প্রতিরোধ করতে চাইলে এই শাক খেতে হবে।


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত অসুখ থেকে দূরে থাকা যায়। এই কাজে আপনাকে সাহায্য পারে কলমি শাক। এই শাকে থাকে প্রচুর ভিটামিন সি। সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে কাজ করে এই ভিটামিন। যে কারণে সংক্রামক অসুখ থেকে দূরে থাকা সহজ হয়।


দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে কাজ করে


বর্তমানে অনেক ছোট বয়সেই চোখে সমস্যা দেখা দিচ্ছে অনেকের। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে নিয়মিত কলমি শাক খাওয়া উপকারী। কারণ এই শাকে থাকে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ। চোখ ভালো রাখতে কার্যকরী উপাদান হলো এই ভিটামিন। তাই চোখ ভালো রাখতে নিজে তো খাবেনই, শিশুদেরও এই শাক খাওয়ানোর অভ্যাস করুন।


স্তনের দুধ বাড়াতে রোজ ভাতের সাথে কলমি শাক খেতে হবে ১ মাস 


ফোড়া হলে কলমি পাতা একটু আদাসহ বেটে ফোড়ার চারপাশে লাগালে ফোড়া গলে যাবে এবং পুঁজ বেরিয়ে শুকিয়ে যাবে।


পিঁপড়া, মৌমাছি কিংবা পোকামাকড় কামড়ালে কলমি শাকের পাতা ডগা সহ রস করে লাগালে যন্ত্রণা কমে যায়। এছাড়া


কোষ্ঠ কাঠিন্য হলে কলমি শাকের সঙ্গে আখের গুড় মিশিয়ে শরবত বানিয়ে সকাল-বিকাল এক সপ্তাহ খেলে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।আমাশয়ও এ শরবত কাজ করে।


গর্ভাবস্থায় মায়েদের শরীরে পানি আসে। কলমি শাক বেশি করে রসুন দিয়ে ভেজে তিন সপ্তাহ খেলে পানি কমে যায় অনেক ক্ষেত্রে।


প্রসূতি মায়েদের শিশুরা যদি মায়ের দুধ কম পায় তাহলে কলমি শাক ছোট মাছ দিয়ে রান্না করে খেলে মায়ের দুধ বাড়ে।


কলমি শাকে ক্যালসিয়াম থাকে বলে এই শাক হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের কলমি শাক খাওয়ানো উচিত।


 এই শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ করে।



কলমি শাক বসন্ত রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।


পর্যাপ্ত পরিমানে লৌহ থাকায় এই শাক রক্ত শূন্যতার রোগীদের জন্য দারুণ উপকারি।


জন্মের পর শিশু মায়ের বুকের দুধ না পেলে মাকে কলমি শাক রান্না করে খাওয়ালে শিশু পর্যাপ্ত পরিমানে দুধ পাবে।


নিয়মিত কলমি শাক খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

Post a Comment

0 Comments